০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে হোটেলে আগুন ও মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু

The gallery was not found!

ভারতের দুই প্রান্তে দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ১৪টি প্রাণ। পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠে হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে এবং বিহারের লখিসরাইয়ে মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে সাতজন করে মোট ১৪ জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনাই ধর্মীয় উৎসবের মৌসুমে পরিকাঠামো এবং ভিড় ব্যবস্থাপনার কঙ্কালসার রূপটিকে ফের একবার নির্মমভাবে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।

তারাপীঠ হোটেল অগ্নিকাণ্ড: পুণ্যার্থীদের গভীর ঘুমে হাজির মৃত্যুদূত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার মন্দির শহর তারাপীঠে একটি পাঁচতলা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরের দিকে এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোর প্রায় সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে তারাপীঠ মন্দিরের কাছে অবস্থিত ওই হোটেলের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। তখন হোটেলের অধিকাংশ অতিথিই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।

প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপদের সূত্রপাত। দ্রুত সেই আগুন হোটেলের সাজসজ্জার ফাইবার আবরণ এবং রিসেপশনের দাহ্য পদার্থগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘন কালো ধোঁয়া পাঁচতলা পর্যন্ত উঠে যাওয়ায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আগুনে দগ্ধ হয়ে ও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দোতলার উপরে আগুন না ওঠায় ওপরের তলার অনেক অতিথি রক্ষা পেলেও, অন্ধকার ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সিঁড়ি বা বিকল্প নির্গমন পথ খুঁজে না পেয়ে অনেকেই রিসেপশনের প্রধান পথ দিয়ে বের হতে গিয়ে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

হোটেলের মালিক কল্যাণ পাল দাবি করেন, রাতের পাহারার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র সচল করার চেষ্টা করেন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন ফাইবার আবরণে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুণ্য অর্জনে এসে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে।

বিহারের অশোক ধাম মন্দির: গুজব ও হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি

সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে বিহারের লখিসরাই জেলার বিখ্যাত অশোক ধাম মন্দিরে (শ্রী ইন্দ্রদমনেশ্বর মহাদেব মন্দির) পুণ্যার্থীদের ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

শিবের মাথায় জল ঢালতে বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী মন্দিরে সমবেত হয়েছিলেন। লখিসরাইয়ের জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার জানান, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে পৌনে ৭টার মধ্যে পরপর দুটি ট্রেনে করে প্রচুর পুণ্যার্থী এসে পৌঁছানোয় হঠাৎ করেই ভিড় মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায়। এরই মাঝে মন্দির চত্বরে বিদ্যুতের খুঁটি ও কেবল পড়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এবং খুঁটি ও কেবল ছিঁড়ে পড়ার গুজবে পুণ্যার্থীদের মধ্যে চরম হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একে অপরকে টপকে বের হওয়ার চেষ্টার মুখে মন্দিরের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে পড়ে। মহিলাদের সারিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হওয়ায় অনেকেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পদপিষ্ট হন।

জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার জানান, ভিড়ের চাপ সামলাতে গিয়ে এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিখুঁত ভিড় ব্যবস্থাপনা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাবেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

দুটি ঘটনাই আলাদা প্রকৃতির হলেও এদের শেকড় এক—সতর্কতা এবং পরিকাঠামোগত গাফিলতি। উভয় ক্ষেত্রেই উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে প্রশাসনিক নজরদারি ও সুরক্ষার ঘাটতির চড়া মূল্যে। মানুষের জীবন রক্ষায় কঠোর নজরদারি আর কেবল দুর্ঘটনা ঘটার পরেই নড়েচড়ে বসার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার সময় এখনই।

তারাপীঠের হোটেল কাণ্ডে দায়:

বাণিজ্যিক হোটেলগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার যে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে, তারাপীঠের এই ঘটনা তা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ফাইবার বা দাহ্য পদার্থের অতিরিক্ত ব্যবহার, সঠিক ফায়ার এস্কেপ বা জরুরি নির্গমন পথের পর্যাপ্ত নির্দেশিকা না থাকা এবং শর্ট সার্কিট রোধে নিয়মিত বৈদ্যুতিক পরীক্ষা না হওয়ার দায় হোটেল কতৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স প্রদানকারী প্রশাসনের ওপরই বর্তায়। পুণ্যার্থীদের ভিড় বাড়ার মরসুমে এই ধরনের বাণিজ্যিক আবাসনগুলো কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন রয়ে গেল।

বিহার মন্দিরের ঘটনায় দায়:

ধর্মীয় উৎসব বা বিশেষ তিথিতে অতিরিক্ত জনসমাগম হবে—এটি সম্পূর্ণ অনুমেত্র বিষয়। তা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন ও মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে যে ধরনের সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল, তার ঘাটতি স্পষ্ট। একটি সামান্য গুজব বা যান্ত্রিক ত্রুটির খবর কীভাবে জনরোষ ও হুড়োহুড়িতে রূপ নিতে পারে, তা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী বা সুদৃঢ় ব্যারিকেডের অভাবই এই প্রাণহানির প্রধান কারণ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের মিলনমেলা, আলোচনায় যুদ্ধ-জলবায়ু ও নিরাপত্তা

Business Times24

ভারতে হোটেলে আগুন ও মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু

Update Time : ১২:৫২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের দুই প্রান্তে দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ১৪টি প্রাণ। পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠে হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে এবং বিহারের লখিসরাইয়ে মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে সাতজন করে মোট ১৪ জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনাই ধর্মীয় উৎসবের মৌসুমে পরিকাঠামো এবং ভিড় ব্যবস্থাপনার কঙ্কালসার রূপটিকে ফের একবার নির্মমভাবে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।

তারাপীঠ হোটেল অগ্নিকাণ্ড: পুণ্যার্থীদের গভীর ঘুমে হাজির মৃত্যুদূত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার মন্দির শহর তারাপীঠে একটি পাঁচতলা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরের দিকে এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোর প্রায় সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে তারাপীঠ মন্দিরের কাছে অবস্থিত ওই হোটেলের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। তখন হোটেলের অধিকাংশ অতিথিই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।

প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপদের সূত্রপাত। দ্রুত সেই আগুন হোটেলের সাজসজ্জার ফাইবার আবরণ এবং রিসেপশনের দাহ্য পদার্থগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘন কালো ধোঁয়া পাঁচতলা পর্যন্ত উঠে যাওয়ায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আগুনে দগ্ধ হয়ে ও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দোতলার উপরে আগুন না ওঠায় ওপরের তলার অনেক অতিথি রক্ষা পেলেও, অন্ধকার ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সিঁড়ি বা বিকল্প নির্গমন পথ খুঁজে না পেয়ে অনেকেই রিসেপশনের প্রধান পথ দিয়ে বের হতে গিয়ে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

হোটেলের মালিক কল্যাণ পাল দাবি করেন, রাতের পাহারার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র সচল করার চেষ্টা করেন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন ফাইবার আবরণে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুণ্য অর্জনে এসে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে।

বিহারের অশোক ধাম মন্দির: গুজব ও হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি

সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে বিহারের লখিসরাই জেলার বিখ্যাত অশোক ধাম মন্দিরে (শ্রী ইন্দ্রদমনেশ্বর মহাদেব মন্দির) পুণ্যার্থীদের ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

শিবের মাথায় জল ঢালতে বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী মন্দিরে সমবেত হয়েছিলেন। লখিসরাইয়ের জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার জানান, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে পৌনে ৭টার মধ্যে পরপর দুটি ট্রেনে করে প্রচুর পুণ্যার্থী এসে পৌঁছানোয় হঠাৎ করেই ভিড় মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায়। এরই মাঝে মন্দির চত্বরে বিদ্যুতের খুঁটি ও কেবল পড়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এবং খুঁটি ও কেবল ছিঁড়ে পড়ার গুজবে পুণ্যার্থীদের মধ্যে চরম হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একে অপরকে টপকে বের হওয়ার চেষ্টার মুখে মন্দিরের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে পড়ে। মহিলাদের সারিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হওয়ায় অনেকেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পদপিষ্ট হন।

জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার জানান, ভিড়ের চাপ সামলাতে গিয়ে এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিখুঁত ভিড় ব্যবস্থাপনা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাবেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

দুটি ঘটনাই আলাদা প্রকৃতির হলেও এদের শেকড় এক—সতর্কতা এবং পরিকাঠামোগত গাফিলতি। উভয় ক্ষেত্রেই উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে প্রশাসনিক নজরদারি ও সুরক্ষার ঘাটতির চড়া মূল্যে। মানুষের জীবন রক্ষায় কঠোর নজরদারি আর কেবল দুর্ঘটনা ঘটার পরেই নড়েচড়ে বসার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার সময় এখনই।

তারাপীঠের হোটেল কাণ্ডে দায়:

বাণিজ্যিক হোটেলগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার যে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে, তারাপীঠের এই ঘটনা তা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ফাইবার বা দাহ্য পদার্থের অতিরিক্ত ব্যবহার, সঠিক ফায়ার এস্কেপ বা জরুরি নির্গমন পথের পর্যাপ্ত নির্দেশিকা না থাকা এবং শর্ট সার্কিট রোধে নিয়মিত বৈদ্যুতিক পরীক্ষা না হওয়ার দায় হোটেল কতৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স প্রদানকারী প্রশাসনের ওপরই বর্তায়। পুণ্যার্থীদের ভিড় বাড়ার মরসুমে এই ধরনের বাণিজ্যিক আবাসনগুলো কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন রয়ে গেল।

বিহার মন্দিরের ঘটনায় দায়:

ধর্মীয় উৎসব বা বিশেষ তিথিতে অতিরিক্ত জনসমাগম হবে—এটি সম্পূর্ণ অনুমেত্র বিষয়। তা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন ও মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে যে ধরনের সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল, তার ঘাটতি স্পষ্ট। একটি সামান্য গুজব বা যান্ত্রিক ত্রুটির খবর কীভাবে জনরোষ ও হুড়োহুড়িতে রূপ নিতে পারে, তা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী বা সুদৃঢ় ব্যারিকেডের অভাবই এই প্রাণহানির প্রধান কারণ।