০২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১০০ ডলারের ওপরে তেল: জ্বালানি নিরাপত্তায় তিনমুখী সংকট

The gallery was not found!

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার সরাসরি আঘাত করছে বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তায়। ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর নতুন করে ঝুঁকিতে পড়েছে লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দেব। এর মধ্যেই ইয়েমেনের ইরানঘনিষ্ঠ হুতিরা কৌশলগত পেরিম দ্বীপ ও মোখা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় সৌদি আরবের বিকল্প তেল রপ্তানি পথও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ায়। ড্রোন হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বন্ধ করা এই পাইপলাইনটি হরমুজ এড়িয়ে সৌদি তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পৌঁছানোর গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ। সাম্প্রতিক সময়ে পাইপলাইনটি দিয়ে দিনে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হচ্ছিল, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ।

ফলে একই সময়ে হরমুজ, বাব আল-মান্দেব এবং সৌদির বিকল্প তেল পরিবহনব্যবস্থা—তিন দিকেই চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। শুক্রবার কিছুটা কমলেও সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পথ ঝুঁকিতে

বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যে হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক সময়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি এই সরু জলপথ দিয়ে এশিয়া ও অন্যান্য বাজারে যায়। সেখানে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প পথের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে।

সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন ছিল সেই বিকল্পগুলোর অন্যতম। পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ইয়ানবু বন্দরে তেল পৌঁছে লোহিত সাগর হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো যায়। কিন্তু পাইপলাইনটি বন্ধ হওয়ায় সৌদির হরমুজ এড়িয়ে তেল রপ্তানির কৌশল বড় ধাক্কা খেয়েছে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বাব আল-মান্দেবের সংকট। জলপথটির মাঝামাঝি পেরিম বা মায়ুন দ্বীপ অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে ছোট হলেও দ্বীপটি অত্যন্ত কৌশলগত। এখান থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যে চলাচলকারী জাহাজের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব।

ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, হুতিরা শুক্রবার পেরিমের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এর আগে তারা মোখা বন্দরও দখলে নেয়। হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য আন্তর্জাতিক জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দেব নিরাপদ থাকবে। তবে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় জাহাজ মালিক ও বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগও বাড়ছে।

তেলের বাজারে অস্থিরতা

কোনো সমুদ্রপথ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও সেখানে হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে জাহাজ কোম্পানিগুলো বিকল্প রুট বেছে নিতে পারে। এতে পরিবহন সময় ও খরচ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত ব্যয় জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দামে গিয়ে পড়ে।

জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু পেট্রোল-ডিজেলের বাজার নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন, শিল্প, কৃষি ও খাদ্যপণ্যের ওপরও চাপ পড়ে। আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় বাড়ে এবং জীবনযাত্রার খরচও বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী সংকট বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ তৈরি করতে পারে।

সৌদি আরব ও ইরানের হিসাব

বিশ্বের অন্যতম বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব এখন সবচেয়ে বড় চাপের মুখে। হরমুজে সমস্যা এবং বাব আল-মান্দেবে হুতিদের প্রভাব বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প পাইপলাইন বন্ধ হওয়ায় দেশটির তেল সরবরাহব্যবস্থার ওপর একসঙ্গে চাপ তৈরি হয়েছে।

এর ভূরাজনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে ইরানও। হরমুজে ইরানের প্রভাবের পাশাপাশি বাব আল-মান্দেবে হুতিদের শক্তি বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টির আরেকটি সুযোগ তৈরি হয়। ইরান হুতিদের সামরিকভাবে পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করলেও তাদের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।

কূটনৈতিক তৎপরতা

সংঘাতের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং হরমুজে নিরাপদ নৌ চলাচল নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারত জ্বালানি নিরাপত্তা ও নাবিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

পাকিস্তানও কঠিন ভারসাম্যের মুখে। সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ—দুই দিক বিবেচনায় ইসলামাবাদ সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে সংলাপ ও কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

সামনে বড় শঙ্কা

হুতিরা পুরো বাব আল-মান্দেব দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। কিন্তু জ্বালানি বাজারের জন্য পুরো জলপথ বন্ধ হওয়া জরুরি নয়; জাহাজ চলাচল অনিরাপদ হয়ে পড়লেই সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধাক্কা আসতে পারে।

হরমুজে সংকট, বাব আল-মান্দেবে হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং সৌদির বিকল্প তেল পাইপলাইন বন্ধ—এই তিন ঘটনা একই সময়ে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। তখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আর শুধু আঞ্চলিক সংঘাত থাকবে না; এটি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার বড় পরীক্ষা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

১০০ ডলারের ওপরে তেল: জ্বালানি নিরাপত্তায় তিনমুখী সংকট

Update Time : ০৩:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার সরাসরি আঘাত করছে বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তায়। ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর নতুন করে ঝুঁকিতে পড়েছে লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দেব। এর মধ্যেই ইয়েমেনের ইরানঘনিষ্ঠ হুতিরা কৌশলগত পেরিম দ্বীপ ও মোখা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় সৌদি আরবের বিকল্প তেল রপ্তানি পথও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ায়। ড্রোন হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বন্ধ করা এই পাইপলাইনটি হরমুজ এড়িয়ে সৌদি তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পৌঁছানোর গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ। সাম্প্রতিক সময়ে পাইপলাইনটি দিয়ে দিনে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হচ্ছিল, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ।

ফলে একই সময়ে হরমুজ, বাব আল-মান্দেব এবং সৌদির বিকল্প তেল পরিবহনব্যবস্থা—তিন দিকেই চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। শুক্রবার কিছুটা কমলেও সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পথ ঝুঁকিতে

বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যে হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক সময়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি এই সরু জলপথ দিয়ে এশিয়া ও অন্যান্য বাজারে যায়। সেখানে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প পথের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে।

সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন ছিল সেই বিকল্পগুলোর অন্যতম। পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ইয়ানবু বন্দরে তেল পৌঁছে লোহিত সাগর হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো যায়। কিন্তু পাইপলাইনটি বন্ধ হওয়ায় সৌদির হরমুজ এড়িয়ে তেল রপ্তানির কৌশল বড় ধাক্কা খেয়েছে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বাব আল-মান্দেবের সংকট। জলপথটির মাঝামাঝি পেরিম বা মায়ুন দ্বীপ অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে ছোট হলেও দ্বীপটি অত্যন্ত কৌশলগত। এখান থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যে চলাচলকারী জাহাজের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব।

ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, হুতিরা শুক্রবার পেরিমের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এর আগে তারা মোখা বন্দরও দখলে নেয়। হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য আন্তর্জাতিক জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দেব নিরাপদ থাকবে। তবে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় জাহাজ মালিক ও বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগও বাড়ছে।

তেলের বাজারে অস্থিরতা

কোনো সমুদ্রপথ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও সেখানে হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে জাহাজ কোম্পানিগুলো বিকল্প রুট বেছে নিতে পারে। এতে পরিবহন সময় ও খরচ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত ব্যয় জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দামে গিয়ে পড়ে।

জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু পেট্রোল-ডিজেলের বাজার নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন, শিল্প, কৃষি ও খাদ্যপণ্যের ওপরও চাপ পড়ে। আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় বাড়ে এবং জীবনযাত্রার খরচও বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী সংকট বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ তৈরি করতে পারে।

সৌদি আরব ও ইরানের হিসাব

বিশ্বের অন্যতম বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব এখন সবচেয়ে বড় চাপের মুখে। হরমুজে সমস্যা এবং বাব আল-মান্দেবে হুতিদের প্রভাব বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প পাইপলাইন বন্ধ হওয়ায় দেশটির তেল সরবরাহব্যবস্থার ওপর একসঙ্গে চাপ তৈরি হয়েছে।

এর ভূরাজনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে ইরানও। হরমুজে ইরানের প্রভাবের পাশাপাশি বাব আল-মান্দেবে হুতিদের শক্তি বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টির আরেকটি সুযোগ তৈরি হয়। ইরান হুতিদের সামরিকভাবে পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করলেও তাদের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।

কূটনৈতিক তৎপরতা

সংঘাতের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং হরমুজে নিরাপদ নৌ চলাচল নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারত জ্বালানি নিরাপত্তা ও নাবিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

পাকিস্তানও কঠিন ভারসাম্যের মুখে। সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ—দুই দিক বিবেচনায় ইসলামাবাদ সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে সংলাপ ও কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

সামনে বড় শঙ্কা

হুতিরা পুরো বাব আল-মান্দেব দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। কিন্তু জ্বালানি বাজারের জন্য পুরো জলপথ বন্ধ হওয়া জরুরি নয়; জাহাজ চলাচল অনিরাপদ হয়ে পড়লেই সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধাক্কা আসতে পারে।

হরমুজে সংকট, বাব আল-মান্দেবে হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং সৌদির বিকল্প তেল পাইপলাইন বন্ধ—এই তিন ঘটনা একই সময়ে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। তখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আর শুধু আঞ্চলিক সংঘাত থাকবে না; এটি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার বড় পরীক্ষা।