বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। এ অবস্থায় পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় নিম্নচাপটি পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় এটি পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭১৫ কিলোমিটার এবং মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হতে পারে। এর ফলে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়া
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এই গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে সাগরে থাকা সব মাছ ধরার ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
উত্তাল কুয়াকাটা সংলগ্ন সাগর
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। সাগরে বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। সোমবার রাত থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ রয়েছে ঘন মেঘে ঢাকা। পাশাপাশি বেড়েছে বাতাসের তীব্রতাও।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি বলেন, “উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়তে পারে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















