বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলটির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্য।
তিনি জানান, দীর্ঘদিনের মহাসচিবকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দল আনুষ্ঠানিকভাবে বেছে নিয়েছে এবং বিএনপি চেয়ারম্যান কর্তৃক তাঁর নাম নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি ও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
এর আগে, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচনি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দলটির পক্ষে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
পেশাজীবন থেকে রাজনীতি: এক নজরে মির্জা ফখরুল
-
শিক্ষকতা ও পেশাজীবন: ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন।
-
রাজনীতিতে প্রবেশ: ১৯৮৬ সালে পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষকতা পেশা থেকে অব্যাহতি নেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।
-
বিএনপিতে যোগদান: ১৯৮৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
-
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীত্ব: ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
-
মহাসচিবের দায়িত্ব: দলের সংকটময় মুহূর্তে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০১৬ সালের কাউন্সিলে তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।
রাজনীতিতে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এবং সুদীর্ঘ দিনের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির (ক্লিন ইমেজ) কারণেই দলীয় প্রধান ও নেতাকর্মীদের কাছে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























