১০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ধস নামল বিশ্ব শেয়ারবাজারে

The gallery was not found!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বড় দরপতন, এক দিনেই বাজার মূলধন কমেছে ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার • টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারে ধাক্কা • ইলন মাস্কের সম্পদ কমে ৭৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে

লেখা: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর বিশ্ব শেয়ারবাজারে নেমেছে দরপতনের ঝড়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক দিনেই মার্কিন পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারেও।

নির্বাচনের ফলাফলের পর প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এরই মধ্যে ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় পতন হয়েছে। এতে বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্কের সম্পদও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

শুক্রবার লেনদেন শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান শেয়ারসূচক কেওএসপিআই প্রায় ৯ শতাংশ কমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন ২০ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখতে হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের প্রধান সূচক নাসডাক কমেছে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। গত ৬ অক্টোবর সূচকটি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। সেই অবস্থান থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সূচকটির পতন হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের এপ্রিলে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর বৃহস্পতিবারের আগপর্যন্ত নাসডাকের এত বড় এক দিনের পতন দেখা যায়নি। দেশটির প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও ডাও জোনসও বড় দরপতনের মুখে পড়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এক দিনে এই দুই সূচকের এমন পতন আর দেখা যায়নি।

অথচ নির্বাচনের পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছিল। সেদিন ডাও জোনস সূচক বেড়েছিল ১ হাজার ৫৬৯ পয়েন্ট এবং নাসডাক বেড়েছিল ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। তবে নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ডাও জোনস সূচক কমেছে ১ হাজার ৮৩৩ পয়েন্ট।

প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে দরপতনের অন্যতম কারণ টেক্সাসের গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনাহোসের জয়। এআই প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা অঙ্গরাজ্যটিতে গুগল, মেটা, ওরাকল ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠান তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে।

তবে নির্বাচনী প্রচারে জিনা হিনাহোসে অঙ্গরাজ্যে সাময়িকভাবে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং এ খাতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কিছু করছাড় প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এ কারণে প্রযুক্তি খাতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা চিপ নির্মাতা ও তথ্যকেন্দ্র নির্মাণের সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো প্রযুক্তি খাতের বাজারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম বৃহস্পতিবার এক দিনেই কমেছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলোর একটি সূচক কমেছে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রায় সাড়ে ছয় বছরের মধ্যে এক দিনে সূচকটির এত বড় পতন আর দেখা যায়নি।

টেসলা-স্পেসএক্সে ধাক্কা, কমল মাস্কের সম্পদ

নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব পড়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারেও। বৃহস্পতিবার টেসলার শেয়ারের দাম কমেছে ১১ শতাংশ। তাঁর মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম কমেছে ৯ শতাংশ।

দুই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের বড় দরপতনে বৃহস্পতিবার এক দিনেই মাস্কের সম্পদ কমেছে ৮০০ কোটি ডলার। দিন শেষে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

ফোর্বসের রিয়েল টাইম হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সময় মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে।

অথচ এক মাসেরও কম সময় আগে বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এক লাখ কোটি ডলারের বেশি সম্পদের মালিক হয়েছিলেন তিনি।

নির্বাচনে বিপুল অনুদান দিয়েও জয় আটকাতে পারেননি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রায় ৪৫ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। দেশটির নির্বাচনী ইতিহাসে কোনো ব্যক্তির দেওয়া এটিই সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অনুদান।

তবে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও ডেমোক্র্যাটদের বড় জয় ঠেকাতে পারেননি তিনি। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তাঁর ব্যবসায়িক স্বার্থ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে এআই প্রযুক্তি, তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে হিসাব করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

হরমুজে চার দেশের জাহাজে ইরানের ছাড়, তেলের পথ খুলে কূটনৈতিক হিসাব

Business Times24

নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ধস নামল বিশ্ব শেয়ারবাজারে

Update Time : ০৯:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বড় দরপতন, এক দিনেই বাজার মূলধন কমেছে ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার • টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারে ধাক্কা • ইলন মাস্কের সম্পদ কমে ৭৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে

লেখা: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর বিশ্ব শেয়ারবাজারে নেমেছে দরপতনের ঝড়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক দিনেই মার্কিন পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারেও।

নির্বাচনের ফলাফলের পর প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এরই মধ্যে ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় পতন হয়েছে। এতে বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্কের সম্পদও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

শুক্রবার লেনদেন শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান শেয়ারসূচক কেওএসপিআই প্রায় ৯ শতাংশ কমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন ২০ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখতে হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের প্রধান সূচক নাসডাক কমেছে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। গত ৬ অক্টোবর সূচকটি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। সেই অবস্থান থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সূচকটির পতন হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের এপ্রিলে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর বৃহস্পতিবারের আগপর্যন্ত নাসডাকের এত বড় এক দিনের পতন দেখা যায়নি। দেশটির প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও ডাও জোনসও বড় দরপতনের মুখে পড়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এক দিনে এই দুই সূচকের এমন পতন আর দেখা যায়নি।

অথচ নির্বাচনের পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছিল। সেদিন ডাও জোনস সূচক বেড়েছিল ১ হাজার ৫৬৯ পয়েন্ট এবং নাসডাক বেড়েছিল ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। তবে নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ডাও জোনস সূচক কমেছে ১ হাজার ৮৩৩ পয়েন্ট।

প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে দরপতনের অন্যতম কারণ টেক্সাসের গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনাহোসের জয়। এআই প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা অঙ্গরাজ্যটিতে গুগল, মেটা, ওরাকল ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠান তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে।

তবে নির্বাচনী প্রচারে জিনা হিনাহোসে অঙ্গরাজ্যে সাময়িকভাবে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং এ খাতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কিছু করছাড় প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এ কারণে প্রযুক্তি খাতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা চিপ নির্মাতা ও তথ্যকেন্দ্র নির্মাণের সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো প্রযুক্তি খাতের বাজারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম বৃহস্পতিবার এক দিনেই কমেছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলোর একটি সূচক কমেছে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রায় সাড়ে ছয় বছরের মধ্যে এক দিনে সূচকটির এত বড় পতন আর দেখা যায়নি।

টেসলা-স্পেসএক্সে ধাক্কা, কমল মাস্কের সম্পদ

নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব পড়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারেও। বৃহস্পতিবার টেসলার শেয়ারের দাম কমেছে ১১ শতাংশ। তাঁর মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম কমেছে ৯ শতাংশ।

দুই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের বড় দরপতনে বৃহস্পতিবার এক দিনেই মাস্কের সম্পদ কমেছে ৮০০ কোটি ডলার। দিন শেষে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

ফোর্বসের রিয়েল টাইম হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সময় মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে।

অথচ এক মাসেরও কম সময় আগে বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এক লাখ কোটি ডলারের বেশি সম্পদের মালিক হয়েছিলেন তিনি।

নির্বাচনে বিপুল অনুদান দিয়েও জয় আটকাতে পারেননি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রায় ৪৫ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। দেশটির নির্বাচনী ইতিহাসে কোনো ব্যক্তির দেওয়া এটিই সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অনুদান।

তবে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও ডেমোক্র্যাটদের বড় জয় ঠেকাতে পারেননি তিনি। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তাঁর ব্যবসায়িক স্বার্থ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে এআই প্রযুক্তি, তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে হিসাব করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।