আফগানিস্তানে আবারও বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের অন্তত ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার শহরও রয়েছে বলে স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
কান্দাহারেই তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার অবস্থান বলে জানা যায়।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে ‘নির্ভুলভাবে’ বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে কোন কোন এলাকায় হামলা হয়েছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে জানাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তারার দাবি করেন, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রার মধ্যে থেকে এসব হামলা চালানো হয়েছে এবং কেবল চিহ্নিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। তার দাবি, এসব স্থাপনা এর আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল।
এর আগে পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে ‘সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল’ গড়ে উঠতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। তবে আফগানিস্তানের সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য পায়নি এএফপি।
কান্দাহারের এক বাসিন্দা এএফপিকে জানান, গতরাতে প্রথমে তিনি একটি যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনতে পান। এরপর বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে শহরের কেন্দ্রে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেও আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের হামলার ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তানের দাবি, সেখানে ২৮ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের এ ধরনের হামলার নজির থাকলেও আফগানিস্তানের শহরগুলোতে হামলার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হলে কান্দাহার ও রাজধানী কাবুলেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























