০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৬ বিলিয়ন ডলার

The gallery was not found!

বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৬৩৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফেরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম- ৬) পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। মূলত প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক প্রবাহই রিজার্ভ বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।

বিশ্ববাজারে পণ্যের দামের ওঠানামা এবং বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ রয়েছে। তবে বর্তমানের ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে কিছুটা বাড়তি সক্ষমতা দিচ্ছে।

দেশের মাসিক আমদানি ব্যয় যদি গড়ে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ধরা হয়, তাহলেও এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি খরচ মেটানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যেকোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ রাখার পরামর্শ দেয়। বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ তার চেয়ে বেশি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৬ বিলিয়ন ডলার

Update Time : ০৯:১৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৬৩৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফেরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম- ৬) পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। মূলত প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক প্রবাহই রিজার্ভ বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।

বিশ্ববাজারে পণ্যের দামের ওঠানামা এবং বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ রয়েছে। তবে বর্তমানের ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে কিছুটা বাড়তি সক্ষমতা দিচ্ছে।

দেশের মাসিক আমদানি ব্যয় যদি গড়ে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ধরা হয়, তাহলেও এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি খরচ মেটানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যেকোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ রাখার পরামর্শ দেয়। বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ তার চেয়ে বেশি।