১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি

The gallery was not found!

জাতীয় সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ জন সংসদ সদস্য।  এরা হলেন—মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা, ওসমান ফারুক, গাজী নজরুল ইসলাম, আবুল হাসান ও রুমিন ফারহানা।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অসুস্থতার কারণে ভোট দিতে না আসার কথা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন ঢাকা- ৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা।

ভোট দেননি কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক। তবে তিনি কোন কারণে অনুপস্থিত ছিলেন তা জানা যায়নি।

জামায়াতের সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ভোট দিতে আসেননি। তিনি দল থেকে বহিস্কৃত রয়েছেন।

খেলাফত মজলিসের আবুল হাসানও ভোট দিতে আসেননি। তিনি বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দিতে আসেননি বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ভোট দিতে আসেননি। ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা। তাহলে এটাকে ভোট কেন বলব। সুতরাং এটা মনোনয়ন, নির্বাচন নয়।’

ভোট চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। কারণ হিসেবে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় এই নির্বাচনে ভোট দেবে না ইসলামী আন্দোলন। তবে পরে ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্য পদ আদালতের রায়ে বাতিল হয়েছে। ফলে বর্তমান সংসদে সংরক্ষিত নারীসহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। এ ছাড়া নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না। তবে একবার শূন্য হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে আবার অংশ নিতে কোনো বাধা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি

Update Time : ০৮:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ জন সংসদ সদস্য।  এরা হলেন—মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা, ওসমান ফারুক, গাজী নজরুল ইসলাম, আবুল হাসান ও রুমিন ফারহানা।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অসুস্থতার কারণে ভোট দিতে না আসার কথা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন ঢাকা- ৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা।

ভোট দেননি কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক। তবে তিনি কোন কারণে অনুপস্থিত ছিলেন তা জানা যায়নি।

জামায়াতের সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ভোট দিতে আসেননি। তিনি দল থেকে বহিস্কৃত রয়েছেন।

খেলাফত মজলিসের আবুল হাসানও ভোট দিতে আসেননি। তিনি বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দিতে আসেননি বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ভোট দিতে আসেননি। ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা। তাহলে এটাকে ভোট কেন বলব। সুতরাং এটা মনোনয়ন, নির্বাচন নয়।’

ভোট চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। কারণ হিসেবে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় এই নির্বাচনে ভোট দেবে না ইসলামী আন্দোলন। তবে পরে ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্য পদ আদালতের রায়ে বাতিল হয়েছে। ফলে বর্তমান সংসদে সংরক্ষিত নারীসহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। এ ছাড়া নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না। তবে একবার শূন্য হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে আবার অংশ নিতে কোনো বাধা নেই।