০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে যা জানালেন সিইসি

The gallery was not found!

এক নারীর সঙ্গে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দল থেকে বহিষ্কারের পর তার সদস্যপদ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে উক্ত এমপি-র বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং নির্বাচন কমিশন উভয় স্থানেই লিখিত চিঠি পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০ অনুযায়ী, এই ধরনের রাজনৈতিক বা দলীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি নির্বাচন কমিশন বাস্তবায়ন করতে পারে না। আইন মোতাবেক কোনো সংসদ সদস্যের পদ সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের মাধ্যমে উত্থাপিত হতে হয়। স্পিকার কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত বা রেফার করার পর নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রাখে।

সিইসি সাংবাদিকেদের জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে বৈঠক হলেও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের বিষয়টি নিয়ে সেখানে কোনো কথা হয়নি। স্পিকারের কার্যালয় থেকে লিখিত কোনো রেফারেন্স বা আবেদন নির্বাচন কমিশনে পৌঁছালে তারা বিদ্যমান আইন অনুসরণ করে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে যা জানালেন সিইসি

Update Time : ০৫:৩৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এক নারীর সঙ্গে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দল থেকে বহিষ্কারের পর তার সদস্যপদ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে উক্ত এমপি-র বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং নির্বাচন কমিশন উভয় স্থানেই লিখিত চিঠি পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০ অনুযায়ী, এই ধরনের রাজনৈতিক বা দলীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি নির্বাচন কমিশন বাস্তবায়ন করতে পারে না। আইন মোতাবেক কোনো সংসদ সদস্যের পদ সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের মাধ্যমে উত্থাপিত হতে হয়। স্পিকার কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত বা রেফার করার পর নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রাখে।

সিইসি সাংবাদিকেদের জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে বৈঠক হলেও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের বিষয়টি নিয়ে সেখানে কোনো কথা হয়নি। স্পিকারের কার্যালয় থেকে লিখিত কোনো রেফারেন্স বা আবেদন নির্বাচন কমিশনে পৌঁছালে তারা বিদ্যমান আইন অনুসরণ করে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।