বগুড়ার শেরপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। গ্রেপ্তার এড়াতে প্রায়ই ঘরোয়া সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করছেন তারা। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তাদের আর কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না বলেও ঘোষণাও দিচ্ছেন।
গত ২০ ডিসেম্বর উপজেলার ছোনকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে ঘরোয়া সংবাদ সম্মেলন করে দীর্ঘ ২৫ বছরের দলীয় রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। তিনি একই ইউনিয়নের আম্বইল গ্রামের বাসিন্দা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়ন বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা জানান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদির বড়ভাই ওমর ফারুক ২০১৮ সালে ধড়মোকাম এলাকায় বেশ ঘটা করে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এক পর্যায়ে শেরপুর-ধুনটের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন মোটর মালিক সমিতির দুই মেয়াদে কার্যকরী কমিটির সদস্য ও দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। অথচ ২০২৪’র ৫ আগস্টের পর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন মিছিলে তাকে প্রথম সারিতে দেখা গেছে।
এছাড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মশিউর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পদত্যাগপত্র পাঠ করে দলীয় পদ পদবী থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। কথিত আছে তিনিও স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতাদের সঙ্গে জোগ সাজসে এই পদক্ষেপ নিয়ে ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























