শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মা দিবস, বাবা দিবস বা আরও অন্যান্য দিবস পালন করা যেনো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যপার। কিন্তু ” Grandparents Day” পালন, এ যেনো এক ভিন্নধর্মী আয়োজন । হ্যাঁ, সম্পূর্ণ অভিনব ও ভিন্নধর্মী এ আয়োজন করেছিলো রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর এলাকায় অবস্থিত বাংলা মাধ্যম ও ইংলিশ ভার্সন স্কুল ❝কচিকণ্ঠ প্রিপারেটরী অ্যান্ড হাই স্কুল। এদিন দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং নাতী-নাতনীদের চমৎকার এক মেলবন্ধনের সমাবেশ ঘটিয়েছিলো ❝কচিকণ্ঠ শিক্ষা পরিবার❞।
সম্প্রতি কচিকণ্ঠ স্কুলে অনুষ্ঠিত “Grandparents Day” উদযাপন ছিল এক অনন্য আনন্দঘন দিন। প্রবীণ অভিভাবক হিসেবে দাদা-দাদী, নানা-নানীদের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে ছিল আয়োজনটি। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কচিকণ্ঠ হিফজুল কুরআন বিভাগের পরিচালক আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মুফতি দেলোয়ার হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ জয়নুল আবেদীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা প্রবীণ অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙীতের মাধ্যমে অতথিদের জন্য আসন ব্যবস্থা, মিষ্টিমুখ এবং হাসি-খুশির পরিবেশে প্রোগ্রামের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা আবৃত্তি, নাটিকা পরিবেশন করে—যেখানে ফুটে ওঠে দাদা-দাদী, নানা-নানীর প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা।

অনুষ্ঠানে প্রবীণরা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও, কিছু শিক্ষার্থী তাদের দাদা-দাদী ও নানা-নানীকে নিয়ে লেখা নিজের অনুভূতির চিঠি পড়ে শোনায়—যা মুহূর্তেই উপস্থিত সবাই কে আবেগ আপ্লুত করে।
প্রোগ্রামের শেষে প্রতিষ্ঠান এর প্রধান জয়নুল আবেদীন অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন— “দাদা-দাদী ও নানা-নানী শুধু পরিবারের নয়, সমাজ ও জাতির এক অমূল্য সম্পদ। তাদের ভালোবাসা, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা আমাদের জন্য পথপ্রদর্শক।”
দিনটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং শিক্ষার্থী ও পরিবারের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধনকে আরও গভীর করার এক স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
কচিকণ্ঠ স্কুলের সকল প্রোগ্রামের পাশাপাশি, অভিনব এ প্রোগ্রামটির প্রশংসা করেন উপতস্থিত দাদা-দাদি ও নানা-নানিরা। প্রবীণ অভিভাবকদের নিয়ে মজার মজার খেলা, নানান ধরণের পুরস্কার আয়োজন সবার ভালো লাগে বলে ব্যক্ত করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























