০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই: বার্ন ইনস্টিটিউট পরিচালক

The gallery was not found!

দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহম্মদ নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে দগ্ধদের সর্বশেষ তথ্য জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্কিনের ব্যবস্থা থাকায় স্কিন ডোনেশনও নেওয়া হচ্ছে না। অনেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা করার কথা জানতে চাইছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, সরকার সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করছে। আমাদের কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই।

এ সময় নাসির উদ্দিন বলেন, আজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক রোগী রয়েছেন ছয় জন, যেহেতু দুই জন আজ মারা গছেন। যারা বুধবার (২৩ জুলাই) যে ১৩ জন খারাপ অবস্থায় ছিলেন তারা এখনও সে অবস্থাতেই আছেন। তবে আমরা আশা করছি তাদের উন্নতি হবে।

তিনি আরও জানান, ভালো খবর হচ্ছে গত দুইদিনে ১৩ জনকে কেবিনে স্থানান্তর করতে পেরেছি, তাদের অনেককেই হয়তো আমরা আগামী দুই একদিনের মধ্যে বাসায় পাঠাতে পারব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই: বার্ন ইনস্টিটিউট পরিচালক

Update Time : ১০:২০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহম্মদ নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে দগ্ধদের সর্বশেষ তথ্য জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, দগ্ধদের কারো রক্তের প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্কিনের ব্যবস্থা থাকায় স্কিন ডোনেশনও নেওয়া হচ্ছে না। অনেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা করার কথা জানতে চাইছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, সরকার সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করছে। আমাদের কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই।

এ সময় নাসির উদ্দিন বলেন, আজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক রোগী রয়েছেন ছয় জন, যেহেতু দুই জন আজ মারা গছেন। যারা বুধবার (২৩ জুলাই) যে ১৩ জন খারাপ অবস্থায় ছিলেন তারা এখনও সে অবস্থাতেই আছেন। তবে আমরা আশা করছি তাদের উন্নতি হবে।

তিনি আরও জানান, ভালো খবর হচ্ছে গত দুইদিনে ১৩ জনকে কেবিনে স্থানান্তর করতে পেরেছি, তাদের অনেককেই হয়তো আমরা আগামী দুই একদিনের মধ্যে বাসায় পাঠাতে পারব।