দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সূচকের পতনের দিনে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ অবশ্য বেড়েছে। দিন শেষে এখানে ৫৬৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫৩৭ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৭ কোটি টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ২৭০টির দাম কমেছে এবং ৪১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। ফলে বাজারে দরপতনের পাল্লাই ছিল ভারী।
অন্যদিকে সিএসইতেও মঙ্গলবার সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। দিন শেষে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৬২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে এদিন হাতবদল হওয়া ১৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৭টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ১১০টির দর কমেছে এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে মোট ১৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন কমেছে প্রায় ১ কোটি টাকা।
দুই বাজারের লেনদেনচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় সূচক নিম্নমুখী হয়েছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে সিএসইতেও। ফলে দিনের সার্বিক বাজারচিত্রে ক্রেতাদের তুলনায় বিক্রির চাপই বেশি ছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



















