০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ; কারখানা বন্ধ, নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন

সাভার-আশুলিয়ার নিরাপত্তায় ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

The gallery was not found!

ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলন নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, রাজধানীর মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ এবং কারখানায় ছুটি ঘোষণার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিকেরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর আগে সকাল সোয়া ৮টার দিকে পদ্মার মোড় এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ টিয়ারশেল ছোড়ে।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সাভার-আশুলিয়ার নিরাপত্তায় তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। হেমায়েতপুরে শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু জানান, আশুলিয়ার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। হেমায়েতপুর ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

আশুলিয়ায় সংঘর্ষ, কারখানায় ছুটি

আশুলিয়ার বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। শ্রমিকেরা কারখানার সামনে ও সড়কে জড়ো হলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। কয়েকটি স্থানে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধের চেষ্টা করা হয়।

শিল্পাঞ্চল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন আশুলিয়ার ৬০ থেকে ৭০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

গাজীপুরে মহাসড়কে বিক্ষোভ

গাজীপুরের নাওজোর এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাঁরা সড়কে বর্জ্য ফেলে আগুন জ্বালালে জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে নাওজোর পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চন্দ্র, কালিয়াকৈর, মৌচাক ও ভোগড়া এলাকায়ও শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়।

শ্রমিক অসন্তোষের কারণে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও শিল্পাঞ্চলে অবস্থান নেয়।

মিরপুরে সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় শ্রমিকেরা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে ওই স্টেশনে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়। মিরপুর-পল্লবী সড়কেও যান চলাচল ব্যাহত হয়।

নারায়ণগঞ্জে লিংক রোড অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শ্রমিকেরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেন। বিকেলে শিবু মার্কেট এলাকায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিক জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এতে ঢাকা ও চাষাঢ়ামুখী উভয় পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শ্রমিকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও বিজিবি তাঁদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকেরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি টিয়ারশেল ছোড়ে। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মজুরি বাড়ানোসহ একাধিক দাবি

শ্রমিকদের প্রধান দাবি, বর্তমান ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা। পাশাপাশি বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ, প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়া, শ্রমিক ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ এবং দ্রুত নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা নতুন মজুরি ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষণা এবং জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার দাবি তুলেছেন। শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করলেও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার

শিল্পাঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে বিজিবির ১২ প্লাটুন মোতায়েনের তথ্য পাওয়া গেছে। আশুলিয়া ও মিরপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ও বডি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

শ্রমিকদের বিক্ষোভে কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। তবে বিভিন্ন স্থানে অবরোধ প্রত্যাহারের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ; কারখানা বন্ধ, নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন

Business Times24

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ; কারখানা বন্ধ, নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন

Update Time : ১২:২১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলন নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, রাজধানীর মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ এবং কারখানায় ছুটি ঘোষণার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিকেরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর আগে সকাল সোয়া ৮টার দিকে পদ্মার মোড় এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ টিয়ারশেল ছোড়ে।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সাভার-আশুলিয়ার নিরাপত্তায় তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। হেমায়েতপুরে শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু জানান, আশুলিয়ার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। হেমায়েতপুর ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

আশুলিয়ায় সংঘর্ষ, কারখানায় ছুটি

আশুলিয়ার বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। শ্রমিকেরা কারখানার সামনে ও সড়কে জড়ো হলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। কয়েকটি স্থানে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধের চেষ্টা করা হয়।

শিল্পাঞ্চল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন আশুলিয়ার ৬০ থেকে ৭০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

গাজীপুরে মহাসড়কে বিক্ষোভ

গাজীপুরের নাওজোর এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাঁরা সড়কে বর্জ্য ফেলে আগুন জ্বালালে জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে নাওজোর পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চন্দ্র, কালিয়াকৈর, মৌচাক ও ভোগড়া এলাকায়ও শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়।

শ্রমিক অসন্তোষের কারণে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও শিল্পাঞ্চলে অবস্থান নেয়।

মিরপুরে সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় শ্রমিকেরা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে ওই স্টেশনে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়। মিরপুর-পল্লবী সড়কেও যান চলাচল ব্যাহত হয়।

নারায়ণগঞ্জে লিংক রোড অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শ্রমিকেরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেন। বিকেলে শিবু মার্কেট এলাকায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিক জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এতে ঢাকা ও চাষাঢ়ামুখী উভয় পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শ্রমিকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও বিজিবি তাঁদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকেরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি টিয়ারশেল ছোড়ে। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মজুরি বাড়ানোসহ একাধিক দাবি

শ্রমিকদের প্রধান দাবি, বর্তমান ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা। পাশাপাশি বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ, প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়া, শ্রমিক ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ এবং দ্রুত নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা নতুন মজুরি ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষণা এবং জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার দাবি তুলেছেন। শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করলেও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার

শিল্পাঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে বিজিবির ১২ প্লাটুন মোতায়েনের তথ্য পাওয়া গেছে। আশুলিয়া ও মিরপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ও বডি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

শ্রমিকদের বিক্ষোভে কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। তবে বিভিন্ন স্থানে অবরোধ প্রত্যাহারের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।