খাবার নষ্ট হলে সব সময় তা চোখে ধরা পড়ে না। পচা গন্ধ, বদলে যাওয়া রং বা ছত্রাক দেখা গেলে সহজেই বোঝা যায় খাবারটি খাওয়ার উপযোগী নয়। কিন্তু ক্ষতিকর জীবাণু বা টক্সিন থাকলেও অনেক খাবার দেখতে ও গন্ধে স্বাভাবিক থাকতে পারে।
তাই প্যাকেটে লেখা তারিখকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। ‘বেস্ট বাই’ সাধারণত খাবারের সর্বোত্তম মানের সময় নির্দেশ করে, ‘সেল বাই’ বিক্রির সময়সীমা বোঝায় এবং ‘ইউজ বাই’ ব্যবহারের শেষ সময় নির্দেশ করে। তবে এসব লেবেলের ব্যবহার পণ্য ও প্রস্তুতকারকভেদে ভিন্ন হতে পারে।
দূষিত খাবার থেকে বমি, ডায়রিয়া, জ্বর ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যা হতে পারে। সালমোনেলা, লিস্টেরিয়া ও ই কোলাইয়ের মতো জীবাণু এর কারণ হতে পারে। ভুলভাবে সংরক্ষিত কিছু খাবারে ক্ষতিকর টক্সিনও তৈরি হতে পারে।
‘গন্ধ ঠিক আছে, তাই নিরাপদ’—এ ধারণাও ঠিক নয়। কারণ সব ক্ষতিকর জীবাণু খাবারের গন্ধ, রং বা চেহারায় পরিবর্তন ঘটায় না।
খাবার কেনার সময় মেয়াদ, প্যাকেটের অবস্থা ও সংরক্ষণব্যবস্থা দেখে নেওয়া উচিত। বাড়িতেও খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতার মানুষের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
মেয়াদ পেরোলেই প্রতিটি খাবার বিষাক্ত হয়ে যায় না, আবার দেখতে ভালো থাকলেই তা নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তাও নেই। খাদ্যের ধরন, লেবেল ও সংরক্ষণ পদ্ধতি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক 


























