নাতনির বিয়ে। চারদিকে উৎসবের আমেজ। সবাই গ্রীষ্মের পোশাকে, পায়ে খোলা স্যান্ডেল। কিন্তু ৬১ বছরের মার্গারেটের পায়ে ঢাকা জুতা।
কারণ, পাঁচ বছর ধরে তার পায়ের নখ মোটা, হলদেটে ও ভঙ্গুর। এত দিন ধরে তিনি সেগুলো লুকিয়েছেন যে, স্বাভাবিক নখ দেখতে কেমন সেটাই প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন।
বিয়ের আসরেও পা দুটো চেয়ারের নিচে গুটিয়ে রাখলেন। মেয়ের চোখে পড়ল বিষয়টি।
সমাধানের জন্য অবশ্য কম চেষ্টা করেননি মার্গারেট। বিভিন্ন নখের চিকিৎসা, ফাঙ্গাল কিট, টি ট্রি অয়েল, ভিক্স, ভিনেগার—সবই ব্যবহার করেছেন। পাঁচ বছরে খরচ হয়েছে ৩৮০ ডলারের বেশি। কিন্তু নখের চেহারা বদলায়নি।
শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, নখের সমস্যা ত্বকের সংক্রমণের মতো নয়। নখের শক্ত কেরাটিন স্তরের কারণে ওপর থেকে লাগানো উপাদান আক্রান্ত জায়গায় পর্যাপ্তভাবে পৌঁছাতে নাও পারে।
এই ব্যাখ্যাই বদলে দেয় তার ভাবনা। ‘আরও শক্তিশালী’ কিছু খোঁজার বদলে তিনি এমন একটি পণ্য ব্যবহারের কথা জানান, যা নখের স্তরের ভেতরে পৌঁছানোর বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তৈরি।
তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া কোনো পণ্যকে কার্যকর চিকিৎসা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। মোটা বা হলদেটে নখের পেছনে ছত্রাক ছাড়াও অন্য কারণ থাকতে পারে।
মার্গারেটের কাছে অবশ্য সবচেয়ে বড় পরিবর্তন নখে নয়—আত্মবিশ্বাসে।
যে পা পাঁচ বছর ধরে লুকিয়েছেন, সেটিই এখন আর লুকিয়ে রাখার মতো বিষয় নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















