১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু অর্থসংকটে সুন্দরবন, বাড়ছে লবণাক্ততা

The gallery was not found!

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লবণাক্ততা বাড়ছে, কৃষিজমি হারাচ্ছে উৎপাদনক্ষমতা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিও কমছে না। এমন সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকায় চলমান জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে অর্থায়ন কমিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। সুন্দরবন এলাকায় একটি বড় প্রকল্প নির্ধারিত পরিকল্পনার আগেই গুটিয়ে নেওয়ার ঘটনা এখন সেই বৃহত্তর পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সমস্যাটি শুধু একটি প্রকল্প কিংবা কয়েক হাজার সুবিধাভোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাজ্য তার সামগ্রিক বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমিয়ে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে বেশি অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর উন্নয়ন ও অভিযোজন কর্মসূচিতে।

যুক্তরাজ্যের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটি ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) জাতীয় আয়ের ০.৩ শতাংশে নামিয়ে আনবে। ২০২১ সালে এই হার ০.৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্য সরকার বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে সাশ্রয় হওয়া অর্থ প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স লাইব্রেরির হিসাবে, ২০২৭-২৮ সালে যুক্তরাজ্যের সহায়তা বাজেট প্রায় ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ডে নেমে আসতে পারে, যা জাতীয় আয়ের অনুপাতে ১৯৯৯ সালের পর সর্বনিম্ন।

এই নীতি পরিবর্তনের ধাক্কা এরই মধ্যে বাংলাদেশেও দৃশ্যমান। যুক্তরাজ্যের সরকারি ডেভেলপমেন্ট ট্র্যাকার বর্তমানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ পাউন্ড বাজেট দেখাচ্ছে। আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশের জন্য দ্বিপক্ষীয় সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে।

এর একটি উদাহরণ সুন্দরবনে পরিচালিত ‘নবপল্লব’ প্রকল্প। যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে কেয়ার বাংলাদেশের নেতৃত্বে প্রকল্পটির সুন্দরবন অংশ বাস্তবায়ন করছে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন।

জলবায়ু সহনশীল কৃষি, মাছ ও পশুপালন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে প্রকল্পটি। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের তথ্য অনুযায়ী, দাকোপ, কয়রা ও পাইকগাছায় কয়েক হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কিন্তু অর্থায়ন কমে যাওয়ায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সংকুচিত হচ্ছে। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের জলবায়ু ও সহনশীলতা বিভাগের প্রধান তামান্না রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে প্রায় ৩৭ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে। অর্থাৎ পরিকল্পনার বাইরে থেকে যাবে প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

সংখ্যার চেয়েও বড় উদ্বেগ হলো প্রকল্প মাঝপথে বন্ধ হওয়ার প্রভাব। জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে শুধু সৌরপ্যানেল, কৃষি উপকরণ বা মেশিন বিতরণ করলেই কাজ শেষ হয় না। স্থানীয় মানুষকে প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ, বাজারের সঙ্গে সংযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্থানীয় সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মতো কাজ সাধারণত কয়েক বছর ধরে চলে। অর্থ বন্ধ হয়ে গেলে স্থাপন করা প্রযুক্তি টিকে থাকলেও সেটিকে ঘিরে গড়ে ওঠা ব্যবস্থাটি ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

এই ঝুঁকি বাংলাদেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটি এমন এক সময়ে উন্নয়ন সহায়তার চাপের মুখে পড়ছে, যখন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিও চলছে। যুক্তরাজ্যের নিজস্ব মূল্যায়নেও বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশের সামনে দুই ধরনের অর্থায়ন চাপ একসঙ্গে তৈরি হতে পারে। একদিকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সঙ্গে কিছু সহজ শর্তের সহায়তা ও বাণিজ্য সুবিধা ধীরে ধীরে কমবে, অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের মতো বড় দাতা দেশগুলোও তাদের বৈদেশিক সহায়তা সংকুচিত করছে।

লন্ডনের পরিকল্পনা হলো অনুদানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে সরাসরি অংশীদারত্ব এবং বেসরকারি পুঁজি ব্যবহার বাড়ানো। যুক্তরাজ্য বলছে, নতুন উন্নয়ন নীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে।

কিন্তু সুন্দরবনের মতো এলাকায় এখানেই বড় বাধা। প্রত্যন্ত গ্রামের সৌরবিদ্যুৎ, লবণসহিষ্ণু কৃষি কিংবা দুর্যোগের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ থেকে দ্রুত মুনাফার সুযোগ খুব কম। ফলে সরকারি বা দাতা অর্থের বিকল্প হিসেবে বেসরকারি পুঁজি কতটা সেখানে পৌঁছাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের সহায়তা কমানোর ঘটনাটি বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের কাঠামো বদলে যাওয়ার একটি সতর্কসংকেত। সুন্দরবনে এর প্রভাব শুধু কয়েক হাজার পরিবারের উপর নয়, প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক দাতারা যখন প্রতিরক্ষা ও নিজেদের অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারের দিকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছে, তখন বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ তার অভিযোজনের বিপুল ব্যয় কোথা থেকে মেটাবে। জলবায়ু পরিবর্তন অবশ্য বাজেট কাটছাঁটের খবর পড়ে থেমে থাকবে না। সেটিই সমস্যার সবচেয়ে নির্মম অংশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

জাতিসংঘে ভাষণ: ইরান নিয়ে ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

Business Times24

জলবায়ু অর্থসংকটে সুন্দরবন, বাড়ছে লবণাক্ততা

Update Time : ০৮:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লবণাক্ততা বাড়ছে, কৃষিজমি হারাচ্ছে উৎপাদনক্ষমতা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিও কমছে না। এমন সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকায় চলমান জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে অর্থায়ন কমিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। সুন্দরবন এলাকায় একটি বড় প্রকল্প নির্ধারিত পরিকল্পনার আগেই গুটিয়ে নেওয়ার ঘটনা এখন সেই বৃহত্তর পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সমস্যাটি শুধু একটি প্রকল্প কিংবা কয়েক হাজার সুবিধাভোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাজ্য তার সামগ্রিক বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমিয়ে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে বেশি অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর উন্নয়ন ও অভিযোজন কর্মসূচিতে।

যুক্তরাজ্যের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটি ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) জাতীয় আয়ের ০.৩ শতাংশে নামিয়ে আনবে। ২০২১ সালে এই হার ০.৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্য সরকার বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে সাশ্রয় হওয়া অর্থ প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স লাইব্রেরির হিসাবে, ২০২৭-২৮ সালে যুক্তরাজ্যের সহায়তা বাজেট প্রায় ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ডে নেমে আসতে পারে, যা জাতীয় আয়ের অনুপাতে ১৯৯৯ সালের পর সর্বনিম্ন।

এই নীতি পরিবর্তনের ধাক্কা এরই মধ্যে বাংলাদেশেও দৃশ্যমান। যুক্তরাজ্যের সরকারি ডেভেলপমেন্ট ট্র্যাকার বর্তমানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ পাউন্ড বাজেট দেখাচ্ছে। আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশের জন্য দ্বিপক্ষীয় সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে।

এর একটি উদাহরণ সুন্দরবনে পরিচালিত ‘নবপল্লব’ প্রকল্প। যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে কেয়ার বাংলাদেশের নেতৃত্বে প্রকল্পটির সুন্দরবন অংশ বাস্তবায়ন করছে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন।

জলবায়ু সহনশীল কৃষি, মাছ ও পশুপালন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে প্রকল্পটি। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের তথ্য অনুযায়ী, দাকোপ, কয়রা ও পাইকগাছায় কয়েক হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কিন্তু অর্থায়ন কমে যাওয়ায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সংকুচিত হচ্ছে। প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের জলবায়ু ও সহনশীলতা বিভাগের প্রধান তামান্না রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে প্রায় ৩৭ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে। অর্থাৎ পরিকল্পনার বাইরে থেকে যাবে প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

সংখ্যার চেয়েও বড় উদ্বেগ হলো প্রকল্প মাঝপথে বন্ধ হওয়ার প্রভাব। জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে শুধু সৌরপ্যানেল, কৃষি উপকরণ বা মেশিন বিতরণ করলেই কাজ শেষ হয় না। স্থানীয় মানুষকে প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ, বাজারের সঙ্গে সংযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্থানীয় সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মতো কাজ সাধারণত কয়েক বছর ধরে চলে। অর্থ বন্ধ হয়ে গেলে স্থাপন করা প্রযুক্তি টিকে থাকলেও সেটিকে ঘিরে গড়ে ওঠা ব্যবস্থাটি ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

এই ঝুঁকি বাংলাদেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটি এমন এক সময়ে উন্নয়ন সহায়তার চাপের মুখে পড়ছে, যখন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিও চলছে। যুক্তরাজ্যের নিজস্ব মূল্যায়নেও বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশের সামনে দুই ধরনের অর্থায়ন চাপ একসঙ্গে তৈরি হতে পারে। একদিকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সঙ্গে কিছু সহজ শর্তের সহায়তা ও বাণিজ্য সুবিধা ধীরে ধীরে কমবে, অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের মতো বড় দাতা দেশগুলোও তাদের বৈদেশিক সহায়তা সংকুচিত করছে।

লন্ডনের পরিকল্পনা হলো অনুদানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে সরাসরি অংশীদারত্ব এবং বেসরকারি পুঁজি ব্যবহার বাড়ানো। যুক্তরাজ্য বলছে, নতুন উন্নয়ন নীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে।

কিন্তু সুন্দরবনের মতো এলাকায় এখানেই বড় বাধা। প্রত্যন্ত গ্রামের সৌরবিদ্যুৎ, লবণসহিষ্ণু কৃষি কিংবা দুর্যোগের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ থেকে দ্রুত মুনাফার সুযোগ খুব কম। ফলে সরকারি বা দাতা অর্থের বিকল্প হিসেবে বেসরকারি পুঁজি কতটা সেখানে পৌঁছাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের সহায়তা কমানোর ঘটনাটি বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের কাঠামো বদলে যাওয়ার একটি সতর্কসংকেত। সুন্দরবনে এর প্রভাব শুধু কয়েক হাজার পরিবারের উপর নয়, প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক দাতারা যখন প্রতিরক্ষা ও নিজেদের অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারের দিকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছে, তখন বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ তার অভিযোজনের বিপুল ব্যয় কোথা থেকে মেটাবে। জলবায়ু পরিবর্তন অবশ্য বাজেট কাটছাঁটের খবর পড়ে থেমে থাকবে না। সেটিই সমস্যার সবচেয়ে নির্মম অংশ।