০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসরায়েল ছাড়ছেন শিক্ষিত-সচ্ছলরা

The gallery was not found!

ভালো চাকরি, বেশি আয় কিংবা উন্নত জীবনযাত্রার জন্য দেশ ছাড়ার ঘটনা নতুন নয়। অনুন্নত বা কম উন্নত দেশের লোকজন প্রতিনিয়ত কাঙ্ক্ষিত জীবনের লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত উন্নত দেশে পাড়ি জমায়। কিন্তু সম্প্রতি ইসরায়েলের ক্ষেত্রে ঘটছে ব্যতিক্রম। আগেও ইসরায়েল থেকে দেশটির নাগরিকেরা অন্য দেশে গেছেন।

তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঘটনাগুলো বদলে গেছে। এখন যারা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিকর্মী, উচ্চশিক্ষিত এবং বেশি আয় করা মানুষের হার দ্রুত বাড়ছে।

তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ ইসরায়েলি অন্তত টানা তিন মাস দেশের বাইরে ছিলেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৬ হাজার ৫০৯, ২০২৪ সালে ৯১ হাজার ৪৯৯ এবং ২০২৫ সালে ৯০ হাজার ৯২২। ২০১০-এর দশকে একই মাপকাঠিতে বছরে গড়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ দেশ ছাড়তেন।

তবে এই ২ লাখ ৬৮ হাজার মানুষকে সবাইকে স্থায়ী অভিবাসী বলা যাবে না। গবেষকদের হিসাবে, ২০২৫ সালে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার ইসরায়েলি এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দেশ ছেড়েছেন। তারপরও ধারাবাহিকভাবে তিন বছর উচ্চমাত্রার দেশত্যাগকে অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা।

২০২৩ সালে নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ ইসরায়েলে বড় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। সরকারের পরিকল্পনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের ওপর আদালতের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করবে, এমন আশঙ্কায় কয়েক মাস ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ইসরায়েলিদের নিয়ে অধ্যাপক লিলাখ লেভ আরির গবেষণায় বিচার বিভাগ সংস্কার এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্বপূর্ণ ‘পুশ ফ্যাক্টর’ হিসেবে পাওয়া গেছে।

দেশত্যাগের সঙ্গে যুদ্ধের সম্পর্কও স্পষ্ট। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এরপর শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া, একের পর এক আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা অনেকের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

লেভ আরির গবেষণায় নতুন ইসরায়েলি অভিবাসীদের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় সংকটের পাশাপাশি ৭ অক্টোবরের হামলা ও পরবর্তী যুদ্ধকে দেশ ছাড়ার কারণ হিসেবে পাওয়া গেছে। অর্থাৎ যুদ্ধ এখানে শুধু পটভূমি নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি বাস্তব কারণ। তবে যুদ্ধ কত শতাংশ মানুষ দেশত্যাগ করেছেন তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি ওই গবেষণায়।

ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারপন্থি ইসরায়েলিদের একটি অংশ মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ক্রমেই বেশি ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী হয়ে উঠছে। বিচার বিভাগ নিয়ে সংঘাতের সঙ্গে অতি-ডানপন্থি দলগুলোর রাজনৈতিক প্রভাব তাদের মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ চরিত্র নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

২০২৬ সালের অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই রাজনৈতিক বিভাজন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এমনকি নেতানিয়াহুর লিকুদ দলের মধ্যেও কট্টরপন্থি অবস্থান বনাম মধ্যপন্থায় ফেরার প্রশ্নে বিভক্তি রয়েছে।

সব দেশত্যাগই রাজনৈতিক নয়। উচ্চশিক্ষিত ইসরায়েলিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও গবেষণা খাতে বড় চাকরির বাজার রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হলে তাদের দেশ ছাড়ার সক্ষমতাও অন্যদের তুলনায় বেশি। এখানেই সাম্প্রতিক প্রবণতা গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলি কর কর্তৃপক্ষের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ আয়ের ১০ শতাংশ মানুষের দেশত্যাগের হার আগের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। হাইটেক খাতের কর্মীদের দেশত্যাগ প্রায় ১৫০ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে ১০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

কর কর্তৃপক্ষের হিসাবে, দেশত্যাগীরা ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশ ছাড়ার আগের বছরে মোট প্রায় ৫০ কোটি শেকেল আয়কর দিতেন। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে সেটি বেড়ে বছরে প্রায় ১২০ কোটি শেকেল হয়েছে। অর্থাৎ এখন শুধু বেশি মানুষ যাচ্ছেন না, তুলনামূলকভাবে বেশি কর দেওয়া মানুষও যাচ্ছেন।

ইসরায়েলের অর্থনীতির বড় শক্তি প্রযুক্তি, চিকিৎসা, গবেষণা ও উদ্ভাবন। এই খাতের দক্ষ জনগোষ্ঠী কমতে থাকলে ক্ষতি শুধু কর রাজস্বে সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাতেও প্রভাব পড়তে পারে।

বদলে যেতে পারে ইসরায়েলের জনবিন্যাস। এ কারণেই ইসরায়েলি পার্লামেন্টের অভিবাসনবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান গিলাদ কারিভ পরিস্থিতিকে অভিবাসনের ‘সুনামি’ বলে সতর্ক করেছেন।

তবে অতীতে দেশ ছাড়াদের একটি অংশ আবার ফিরেছেন। বর্তমান ঢেউও কতটা স্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনীতির ভবিষ্যতের ওপর।

কিন্তু তিন বছরের তথ্য একটি বিষয় পরিষ্কার করছে: ইসরায়েল শুধু জনসংখ্যা হারানোর ঝুঁকিতে নেই, বরং এমন মানুষ হারাচ্ছে যাদের শিক্ষা, দক্ষতা ও আয় দেশটির অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সেই প্রবণতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন সমস্যাটি আর শুধু অভিবাসনের থাকবে না। সেটি হয়ে উঠতে পারে ইসরায়েলের ব্রেন ড্রেন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চরিত্রের প্রশ্ন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি: শিক্ষামন্ত্রী

Business Times24

ইসরায়েল ছাড়ছেন শিক্ষিত-সচ্ছলরা

Update Time : ০৯:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ভালো চাকরি, বেশি আয় কিংবা উন্নত জীবনযাত্রার জন্য দেশ ছাড়ার ঘটনা নতুন নয়। অনুন্নত বা কম উন্নত দেশের লোকজন প্রতিনিয়ত কাঙ্ক্ষিত জীবনের লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত উন্নত দেশে পাড়ি জমায়। কিন্তু সম্প্রতি ইসরায়েলের ক্ষেত্রে ঘটছে ব্যতিক্রম। আগেও ইসরায়েল থেকে দেশটির নাগরিকেরা অন্য দেশে গেছেন।

তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঘটনাগুলো বদলে গেছে। এখন যারা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিকর্মী, উচ্চশিক্ষিত এবং বেশি আয় করা মানুষের হার দ্রুত বাড়ছে।

তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ ইসরায়েলি অন্তত টানা তিন মাস দেশের বাইরে ছিলেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৬ হাজার ৫০৯, ২০২৪ সালে ৯১ হাজার ৪৯৯ এবং ২০২৫ সালে ৯০ হাজার ৯২২। ২০১০-এর দশকে একই মাপকাঠিতে বছরে গড়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ দেশ ছাড়তেন।

তবে এই ২ লাখ ৬৮ হাজার মানুষকে সবাইকে স্থায়ী অভিবাসী বলা যাবে না। গবেষকদের হিসাবে, ২০২৫ সালে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার ইসরায়েলি এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দেশ ছেড়েছেন। তারপরও ধারাবাহিকভাবে তিন বছর উচ্চমাত্রার দেশত্যাগকে অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা।

২০২৩ সালে নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগ সংস্কারের উদ্যোগ ইসরায়েলে বড় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। সরকারের পরিকল্পনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের ওপর আদালতের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করবে, এমন আশঙ্কায় কয়েক মাস ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ইসরায়েলিদের নিয়ে অধ্যাপক লিলাখ লেভ আরির গবেষণায় বিচার বিভাগ সংস্কার এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্বপূর্ণ ‘পুশ ফ্যাক্টর’ হিসেবে পাওয়া গেছে।

দেশত্যাগের সঙ্গে যুদ্ধের সম্পর্কও স্পষ্ট। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এরপর শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া, একের পর এক আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা অনেকের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

লেভ আরির গবেষণায় নতুন ইসরায়েলি অভিবাসীদের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় সংকটের পাশাপাশি ৭ অক্টোবরের হামলা ও পরবর্তী যুদ্ধকে দেশ ছাড়ার কারণ হিসেবে পাওয়া গেছে। অর্থাৎ যুদ্ধ এখানে শুধু পটভূমি নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি বাস্তব কারণ। তবে যুদ্ধ কত শতাংশ মানুষ দেশত্যাগ করেছেন তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি ওই গবেষণায়।

ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারপন্থি ইসরায়েলিদের একটি অংশ মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ক্রমেই বেশি ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী হয়ে উঠছে। বিচার বিভাগ নিয়ে সংঘাতের সঙ্গে অতি-ডানপন্থি দলগুলোর রাজনৈতিক প্রভাব তাদের মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ চরিত্র নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

২০২৬ সালের অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই রাজনৈতিক বিভাজন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এমনকি নেতানিয়াহুর লিকুদ দলের মধ্যেও কট্টরপন্থি অবস্থান বনাম মধ্যপন্থায় ফেরার প্রশ্নে বিভক্তি রয়েছে।

সব দেশত্যাগই রাজনৈতিক নয়। উচ্চশিক্ষিত ইসরায়েলিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও গবেষণা খাতে বড় চাকরির বাজার রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হলে তাদের দেশ ছাড়ার সক্ষমতাও অন্যদের তুলনায় বেশি। এখানেই সাম্প্রতিক প্রবণতা গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলি কর কর্তৃপক্ষের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ আয়ের ১০ শতাংশ মানুষের দেশত্যাগের হার আগের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। হাইটেক খাতের কর্মীদের দেশত্যাগ প্রায় ১৫০ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে ১০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

কর কর্তৃপক্ষের হিসাবে, দেশত্যাগীরা ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশ ছাড়ার আগের বছরে মোট প্রায় ৫০ কোটি শেকেল আয়কর দিতেন। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে সেটি বেড়ে বছরে প্রায় ১২০ কোটি শেকেল হয়েছে। অর্থাৎ এখন শুধু বেশি মানুষ যাচ্ছেন না, তুলনামূলকভাবে বেশি কর দেওয়া মানুষও যাচ্ছেন।

ইসরায়েলের অর্থনীতির বড় শক্তি প্রযুক্তি, চিকিৎসা, গবেষণা ও উদ্ভাবন। এই খাতের দক্ষ জনগোষ্ঠী কমতে থাকলে ক্ষতি শুধু কর রাজস্বে সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাতেও প্রভাব পড়তে পারে।

বদলে যেতে পারে ইসরায়েলের জনবিন্যাস। এ কারণেই ইসরায়েলি পার্লামেন্টের অভিবাসনবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান গিলাদ কারিভ পরিস্থিতিকে অভিবাসনের ‘সুনামি’ বলে সতর্ক করেছেন।

তবে অতীতে দেশ ছাড়াদের একটি অংশ আবার ফিরেছেন। বর্তমান ঢেউও কতটা স্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনীতির ভবিষ্যতের ওপর।

কিন্তু তিন বছরের তথ্য একটি বিষয় পরিষ্কার করছে: ইসরায়েল শুধু জনসংখ্যা হারানোর ঝুঁকিতে নেই, বরং এমন মানুষ হারাচ্ছে যাদের শিক্ষা, দক্ষতা ও আয় দেশটির অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সেই প্রবণতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন সমস্যাটি আর শুধু অভিবাসনের থাকবে না। সেটি হয়ে উঠতে পারে ইসরায়েলের ব্রেন ড্রেন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চরিত্রের প্রশ্ন।