০৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝা ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল

The gallery was not found!

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের বোঝা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে শপথ নেওয়ার সময় দেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯.৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। বিগত বছরগুলোতে এই অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণে গিয়ে ঠেকেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই ঋণ বৃদ্ধির এক-তৃতীয়াংশ হয়েছে ২০২০ সালে করোনা মহামারির পরবর্তী দুই বছরে। ট্রাম্প ও তার উত্তরসূরি জো বাইডেন প্রশাসনের আমলেই মহামারি মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে ঋণ গ্রহণ করা হয়।

২০২৫ সালেরর জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাত্র দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ফলে তার দুই মেয়াদ মিলিয়ে মোট ঋণ বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১.৬ ট্রিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মেয়াদে অবকাঠামো বিনিয়োগ, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ভর্তুকি ও অন্যান্য খাতে ব্যয়ের কারণে ঋণ বেড়েছিল ৮.৪ ট্রিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের এই বিপুল ঋণ এখন প্রতি মার্কিন নাগরিকের কাঁধে ১ লাখ ১৭ হাজার ডলার এবং পরিবার প্রতি ২৯৭ হাজার ডলার ঋণের সমান।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এই ঋণের পরিমাণ চীন, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও ভারতের সম্মিলিত অর্থনৈতিক পরিমাণের প্রায় সমান।

বাইপার্টিজান পলিসি সেন্টারের প্রধান মার্গারেট স্পেলিংস সতর্ক করে বলেছেন, সরকারি আয়ের চেয়ে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয় বৃদ্ধি ও রাজস্ব ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর
Business Times24

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝা ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল

Update Time : ০৬:০১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের বোঝা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে শপথ নেওয়ার সময় দেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯.৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। বিগত বছরগুলোতে এই অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণে গিয়ে ঠেকেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই ঋণ বৃদ্ধির এক-তৃতীয়াংশ হয়েছে ২০২০ সালে করোনা মহামারির পরবর্তী দুই বছরে। ট্রাম্প ও তার উত্তরসূরি জো বাইডেন প্রশাসনের আমলেই মহামারি মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে ঋণ গ্রহণ করা হয়।

২০২৫ সালেরর জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাত্র দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ফলে তার দুই মেয়াদ মিলিয়ে মোট ঋণ বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১.৬ ট্রিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মেয়াদে অবকাঠামো বিনিয়োগ, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ভর্তুকি ও অন্যান্য খাতে ব্যয়ের কারণে ঋণ বেড়েছিল ৮.৪ ট্রিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের এই বিপুল ঋণ এখন প্রতি মার্কিন নাগরিকের কাঁধে ১ লাখ ১৭ হাজার ডলার এবং পরিবার প্রতি ২৯৭ হাজার ডলার ঋণের সমান।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এই ঋণের পরিমাণ চীন, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও ভারতের সম্মিলিত অর্থনৈতিক পরিমাণের প্রায় সমান।

বাইপার্টিজান পলিসি সেন্টারের প্রধান মার্গারেট স্পেলিংস সতর্ক করে বলেছেন, সরকারি আয়ের চেয়ে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয় বৃদ্ধি ও রাজস্ব ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।