১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খেলাপির বাজারে নতুন ভরসা, খুচরা ঋণে ঝুঁকছে ব্যাংক

The gallery was not found!

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিনের চেনা সমীকরণটি দ্রুত বদলাচ্ছে। এক সময় বড় বড় শিল্প গ্রুপ বা করপোরেট গ্রাহকদের পেছনে ব্যাংকগুলোর যে অন্ধ দৌড় ছিল, তা এখন বড় ঝুঁকিতে রূপ নিয়েছে। দেশের শিল্প ঋণের প্রায় ৩২ শতাংশই এখন খেলাপি বা শ্রেণিকৃত ঋণের খাতায়। অর্থাৎ, বিতরণ করা প্রতি তিন টাকার মধ্যে প্রায় এক টাকাই আটকে গেছে বড় গ্রাহকদের কাছে।

করপোরেট খাতের এই ভয়াবহ ক্ষত ও অস্থিরতা থেকে ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে এখন ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘রিটেইল ব্যাংকিং’ বা খুচরা ঋণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, যেখানে শিল্প ঋণে খেলাপির হার আকাশচুম্বী, সেখানে খুচরা ঋণে খেলাপির হার মাত্র ৭.১০%। অল্প কিছু বড় ঋণগ্রহীতার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসার মাঝে ঋণ ছড়িয়ে দেওয়ার এই কৌশলকে এখন বলা হচ্ছে ‘ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ’। ১৭ কোটির এই বাজারে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকায় এই খাতের সম্ভাবনা দেখছেন ব্যাংকাররা।

দৌড়ে এগিয়ে যারা: ব্যাংকগুলোর রিটেইল পোর্টফোলিও ও প্রবৃদ্ধি

বাজারের এই রূপান্তর বুঝতে পেরে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলো তাদের রিটেইল বা ভোক্তা ঋণ পোর্টফোলিও বাড়াতে জোর প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।

সিটি ব্যাংক: খুচরা ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে আগ্রাসী অবস্থানে আছে সিটি ব্যাংক। বর্তমানে তাদের মোট ঋণের ২১% খুচরা ঋণ (যা ৫ বছর আগে ছিল ১৪%)। ২০২৫ সালে তাদের রিটেইল ঋণ পোর্টফোলিও রেকর্ড ২৬% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,৩৪৮ কোটি টাকায়। বিশেষ করে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া তাদের ন্যানো ঋণ পোর্টফোলিও ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংক: নিজেদের “ব্যাংকগুলোর অ্যামাজন” বা আর্থিক সেবার ওয়ান-স্টপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়তে চায় ব্র্যাক ব্যাংক। তাদের ৭৬ হাজার কোটি টাকার মোট ঋণের ১৮% (১৩,৫০০ কোটি টাকা) এখন রিটেইল ঋণ। ২০২৫ সালে তাদের খুচরা আমানত ৩৪% এবং সম্পদ ২৯% বেড়েছে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক (ডিবিবিএল): আবাসন খাতের ওপর ভর করে ডিবিবিএল-এর মোট ঋণের ২২.০৫% এখন ভোক্তা ঋণ। ২০২৫ সালে ৮৭৫ কোটি টাকার নতুন গৃহঋণসহ তাদের হাউজিং ফাইন্যান্স পোর্টফোলিও দাঁড়িয়েছে ৪,১০৬ কোটি টাকায়। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণ যেখানে ৬.৪%, সেখানে খুচরা ঋণে খেলাপির হার মাত্র ০.৬৫%।

পূবালী ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া: পূবালী ব্যাংক আগামী ৩ বছরের মধ্যে তাদের খুচরা ঋণের অংশ ১১% থেকে বাড়িয়ে ৩০%-এ (১৩ হাজার কোটি টাকা) নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে, ব্যাংক এশিয়া আগামী ৩ বছরের মধ্যে মোট ঋণের ১৫% ভোক্তা ঋণে রূপান্তর করতে ২০২৫ সালেই ২৪৬ জন নতুন কর্মী নিয়োগ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সহায়তা ও বাজারের আকার

খুচরা ঋণের এই জোয়ারকে আরও গতিশীল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু সাম্প্রতিক নীতি শিথিলকরণ সিদ্ধান্ত। ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। ঋণ পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮ বছর করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে সামগ্রিক ঋণের চেয়েও দ্রুত গতিতে খুচরা ঋণ বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এই সুবিধার ফলে ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের সামগ্রিক ভোক্তা অর্থায়ন বা খুচরা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৫৮ লাখ কোটি টাকা, যা আগের বছরের (১.৪৭ লাখ কোটি টাকা) তুলনায় ৭.৫০% বেশি। বর্তমানে মোট ব্যাংকঋণের ৮.৯% দখল করে আছে ভোক্তা ঋণ।

শুধু ঋণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও কম ঝুঁকি

ব্যাংকারদের মতে, রিটেইল ব্যাংকিংয়ের আসল সুবিধা হলো স্থায়িত্ব। বড় করপোরেট গ্রাহকরা যেকোনো সময় বড় অংকের আমানত তুলে নিয়ে ব্যাংককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে, কিন্তু লাখো খুচরা গ্রাহকের ছোট ছোট আমানত ব্যাংকের জন্য একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করে। এছাড়া একজন খুচরা গ্রাহক প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে পরে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ঋণ, গৃহঋণ, বীমা বা রেমিট্যান্স সেবা নেন। ফলে তার পুরো জীবনচক্রে ব্যাংকের জন্য বড় ধরনের ফি-ভিত্তিক আয় নিশ্চিত হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ঋণ লাখো মানুষের মাঝে ছড়ানো থাকায় দু-একজন খেলাপি হলেও ব্যাংকের মূল কাঠামোতে কোনো আঘাত লাগে না।

প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের অর্থনীতি

খুচরা ব্যাংকিংয়ের একমাত্র বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর উচ্চ পরিচালন ব্যয়—যেহেতু লাখ লাখ গ্রাহকের তথ্য ও কিস্তি তদারকি করতে বিশাল জনবল লাগে। তবে এই সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি।

মোবাইল অ্যাপ, এজেন্ট ব্যাংকিং, বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে এখন শাখা ছাড়াই ডিজিটাল উপায়ে নামমাত্র খরচে ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এমনকি যাদের প্রচলিত জামানত বা ব্যাংকিং ইতিহাস নেই, তাদের বেতন, ইউটিলিটি বিল এবং মোবাইল ওয়ালেটের লেনদেনের ডেটা বিশ্লেষণ করে ‘ক্রেডিট স্কোরিং’-এর মাধ্যমে মুহূর্তেই ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

বড় করপোরেট ঋণের ক্ষত ভুলে দেশের ব্যাংকিং খাত এখন তাই প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও সাধারণ মানুষের খুচরা ব্যাংকিংয়ের দিকেই হেঁটে চলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

হুতির সামরিক মহড়া ঘিরে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা

Business Times24

খেলাপির বাজারে নতুন ভরসা, খুচরা ঋণে ঝুঁকছে ব্যাংক

Update Time : ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিনের চেনা সমীকরণটি দ্রুত বদলাচ্ছে। এক সময় বড় বড় শিল্প গ্রুপ বা করপোরেট গ্রাহকদের পেছনে ব্যাংকগুলোর যে অন্ধ দৌড় ছিল, তা এখন বড় ঝুঁকিতে রূপ নিয়েছে। দেশের শিল্প ঋণের প্রায় ৩২ শতাংশই এখন খেলাপি বা শ্রেণিকৃত ঋণের খাতায়। অর্থাৎ, বিতরণ করা প্রতি তিন টাকার মধ্যে প্রায় এক টাকাই আটকে গেছে বড় গ্রাহকদের কাছে।

করপোরেট খাতের এই ভয়াবহ ক্ষত ও অস্থিরতা থেকে ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে এখন ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘রিটেইল ব্যাংকিং’ বা খুচরা ঋণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, যেখানে শিল্প ঋণে খেলাপির হার আকাশচুম্বী, সেখানে খুচরা ঋণে খেলাপির হার মাত্র ৭.১০%। অল্প কিছু বড় ঋণগ্রহীতার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসার মাঝে ঋণ ছড়িয়ে দেওয়ার এই কৌশলকে এখন বলা হচ্ছে ‘ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ’। ১৭ কোটির এই বাজারে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকায় এই খাতের সম্ভাবনা দেখছেন ব্যাংকাররা।

দৌড়ে এগিয়ে যারা: ব্যাংকগুলোর রিটেইল পোর্টফোলিও ও প্রবৃদ্ধি

বাজারের এই রূপান্তর বুঝতে পেরে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলো তাদের রিটেইল বা ভোক্তা ঋণ পোর্টফোলিও বাড়াতে জোর প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।

সিটি ব্যাংক: খুচরা ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে আগ্রাসী অবস্থানে আছে সিটি ব্যাংক। বর্তমানে তাদের মোট ঋণের ২১% খুচরা ঋণ (যা ৫ বছর আগে ছিল ১৪%)। ২০২৫ সালে তাদের রিটেইল ঋণ পোর্টফোলিও রেকর্ড ২৬% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,৩৪৮ কোটি টাকায়। বিশেষ করে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া তাদের ন্যানো ঋণ পোর্টফোলিও ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংক: নিজেদের “ব্যাংকগুলোর অ্যামাজন” বা আর্থিক সেবার ওয়ান-স্টপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়তে চায় ব্র্যাক ব্যাংক। তাদের ৭৬ হাজার কোটি টাকার মোট ঋণের ১৮% (১৩,৫০০ কোটি টাকা) এখন রিটেইল ঋণ। ২০২৫ সালে তাদের খুচরা আমানত ৩৪% এবং সম্পদ ২৯% বেড়েছে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক (ডিবিবিএল): আবাসন খাতের ওপর ভর করে ডিবিবিএল-এর মোট ঋণের ২২.০৫% এখন ভোক্তা ঋণ। ২০২৫ সালে ৮৭৫ কোটি টাকার নতুন গৃহঋণসহ তাদের হাউজিং ফাইন্যান্স পোর্টফোলিও দাঁড়িয়েছে ৪,১০৬ কোটি টাকায়। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণ যেখানে ৬.৪%, সেখানে খুচরা ঋণে খেলাপির হার মাত্র ০.৬৫%।

পূবালী ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া: পূবালী ব্যাংক আগামী ৩ বছরের মধ্যে তাদের খুচরা ঋণের অংশ ১১% থেকে বাড়িয়ে ৩০%-এ (১৩ হাজার কোটি টাকা) নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে, ব্যাংক এশিয়া আগামী ৩ বছরের মধ্যে মোট ঋণের ১৫% ভোক্তা ঋণে রূপান্তর করতে ২০২৫ সালেই ২৪৬ জন নতুন কর্মী নিয়োগ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সহায়তা ও বাজারের আকার

খুচরা ঋণের এই জোয়ারকে আরও গতিশীল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু সাম্প্রতিক নীতি শিথিলকরণ সিদ্ধান্ত। ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। ঋণ পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮ বছর করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে সামগ্রিক ঋণের চেয়েও দ্রুত গতিতে খুচরা ঋণ বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এই সুবিধার ফলে ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের সামগ্রিক ভোক্তা অর্থায়ন বা খুচরা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৫৮ লাখ কোটি টাকা, যা আগের বছরের (১.৪৭ লাখ কোটি টাকা) তুলনায় ৭.৫০% বেশি। বর্তমানে মোট ব্যাংকঋণের ৮.৯% দখল করে আছে ভোক্তা ঋণ।

শুধু ঋণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও কম ঝুঁকি

ব্যাংকারদের মতে, রিটেইল ব্যাংকিংয়ের আসল সুবিধা হলো স্থায়িত্ব। বড় করপোরেট গ্রাহকরা যেকোনো সময় বড় অংকের আমানত তুলে নিয়ে ব্যাংককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে, কিন্তু লাখো খুচরা গ্রাহকের ছোট ছোট আমানত ব্যাংকের জন্য একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করে। এছাড়া একজন খুচরা গ্রাহক প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে পরে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ঋণ, গৃহঋণ, বীমা বা রেমিট্যান্স সেবা নেন। ফলে তার পুরো জীবনচক্রে ব্যাংকের জন্য বড় ধরনের ফি-ভিত্তিক আয় নিশ্চিত হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ঋণ লাখো মানুষের মাঝে ছড়ানো থাকায় দু-একজন খেলাপি হলেও ব্যাংকের মূল কাঠামোতে কোনো আঘাত লাগে না।

প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের অর্থনীতি

খুচরা ব্যাংকিংয়ের একমাত্র বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর উচ্চ পরিচালন ব্যয়—যেহেতু লাখ লাখ গ্রাহকের তথ্য ও কিস্তি তদারকি করতে বিশাল জনবল লাগে। তবে এই সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি।

মোবাইল অ্যাপ, এজেন্ট ব্যাংকিং, বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে এখন শাখা ছাড়াই ডিজিটাল উপায়ে নামমাত্র খরচে ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এমনকি যাদের প্রচলিত জামানত বা ব্যাংকিং ইতিহাস নেই, তাদের বেতন, ইউটিলিটি বিল এবং মোবাইল ওয়ালেটের লেনদেনের ডেটা বিশ্লেষণ করে ‘ক্রেডিট স্কোরিং’-এর মাধ্যমে মুহূর্তেই ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

বড় করপোরেট ঋণের ক্ষত ভুলে দেশের ব্যাংকিং খাত এখন তাই প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও সাধারণ মানুষের খুচরা ব্যাংকিংয়ের দিকেই হেঁটে চলেছে।