০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

The gallery was not found!

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প। শনিবার ভোরের এই কম্পনে কেঁপে ওঠে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকা। ভূমিকম্পের পরপরই সৃষ্ট ৩ ফুট উঁচু সুনামির ঢেউ উপকূলবর্তী অঞ্চলে আঘাত হানলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার রাজধানী জাকার্তায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বার্টন সুয়ার পেলিতা পাঞ্জাইতান দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান:

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী একজন পুরুষ ও একজন নারী মারা গেছেন। ঘটনার পর পরই আমাদের উদ্ধারকারী দলগুলো উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। বিস্তারিত তথ্য জানার পর হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা এবং ভবনের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

ভূমিকম্পের তীব্রতায় বিস্তীর্ণ এলাকার অসংখ্য কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী ও সাধারণ মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইস্ট নুসা তেনগারা প্রদেশের তালিবুরা ও সিকা এলাকায়।
সিকা এলাকার *এল সে পোর্ট এ একাধিক বহুতল ভবন ধসে পড়ে।

ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় ও খোলা আকাশের নিচে নেমে আসেন।
ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের পরপরই সমুদ্র থেকে প্রায় তিন ফুট (১ মিটার) উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলবর্তী এলাকায় দ্রুত সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা। সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন।

তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এবং বড় ধরনের সুনামির কোনো বড় ঝুঁকি না থাকায় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেই সুনামি সতর্কতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

বর্তমানে উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় খবর

দেশীয় ফ্যাশনে আস্থার প্রতীক ফিট এলিগ্যান্স, নেতৃত্বে সাফল্যের নতুন দিগন্ত

Business Times24

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

Update Time : ০৯:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প। শনিবার ভোরের এই কম্পনে কেঁপে ওঠে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকা। ভূমিকম্পের পরপরই সৃষ্ট ৩ ফুট উঁচু সুনামির ঢেউ উপকূলবর্তী অঞ্চলে আঘাত হানলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার রাজধানী জাকার্তায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বার্টন সুয়ার পেলিতা পাঞ্জাইতান দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান:

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী একজন পুরুষ ও একজন নারী মারা গেছেন। ঘটনার পর পরই আমাদের উদ্ধারকারী দলগুলো উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। বিস্তারিত তথ্য জানার পর হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা এবং ভবনের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

ভূমিকম্পের তীব্রতায় বিস্তীর্ণ এলাকার অসংখ্য কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী ও সাধারণ মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইস্ট নুসা তেনগারা প্রদেশের তালিবুরা ও সিকা এলাকায়।
সিকা এলাকার *এল সে পোর্ট এ একাধিক বহুতল ভবন ধসে পড়ে।

ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় ও খোলা আকাশের নিচে নেমে আসেন।
ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের পরপরই সমুদ্র থেকে প্রায় তিন ফুট (১ মিটার) উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলবর্তী এলাকায় দ্রুত সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা। সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন।

তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এবং বড় ধরনের সুনামির কোনো বড় ঝুঁকি না থাকায় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেই সুনামি সতর্কতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

বর্তমানে উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।