ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্বাচন পদ্ধতি ও শাসনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রখ্যাত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ‘মর্যাদাশীল রাষ্ট্র’ হিসেবে দেখতে চাইলে দেশে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ ও একটি ‘শান্ত বিপ্লব’ শুরুর ডাক দেন।
ওয়াংচুক মনে করেন, ভারতের অর্থনীতি ও উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না। ৫০ বছর আগে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ ভারতের পেছনে বা সমপর্যায়ে ছিল, তারা এখন অনেক এগিয়ে গেছে। বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪৭ সালে ভারত উন্নত দেশ হওয়া তো দূরের কথা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখানোর অবস্থায়ও থাকবে না।
শাসনব্যবস্থার ত্রুটি ও রাজনীতিতে অপরাধপ্রবণতারাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কোনো একটি নির্দিষ্ট দলের সরকার নয়, বরং সব দলই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্নমত দমন ও অবিচার করেছে। ভারতীয় পার্লামেন্টের প্রায় ৫০% সদস্যের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
ওয়াংচুক বলেন, ২০১২-১৩ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের ১২ বছর পর দুর্নীতি কমার বদলে ২ থেকে ৩ গুণ বড় আকার ধারণ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা যত দিন পিছিয়ে থাকবে, দেশের ভবিষ্যৎও তত দিন পিছিয়ে থাকবে। কিন্তু শুধু শিক্ষামন্ত্রী বদলে অলৌকিক কোনো পরিবর্তন আসবে না, পুরো নেতৃত্বে পরিবর্তন দরকার।

নিজস্ব প্রতিবেদক 




















